রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
আহমাদ সাব্বির
  • চিন্তালাপ
  • চিত্তশুদ্ধি
  • অতীত কথন
  • ব্যক্তিপুস্তক
  • গল্পপত্র
  • স্মৃতিমেঘ
  • ভাবচিত্র
  • বই কেন্দ্রিক
  • দিন যাপন
  • কবিতা ভবন
  • আমার বই
No Result
View All Result
  • চিন্তালাপ
  • চিত্তশুদ্ধি
  • অতীত কথন
  • ব্যক্তিপুস্তক
  • গল্পপত্র
  • স্মৃতিমেঘ
  • ভাবচিত্র
  • বই কেন্দ্রিক
  • দিন যাপন
  • কবিতা ভবন
  • আমার বই
No Result
View All Result
আহমাদ সাব্বির

মুনশী মেহেরুল্লাহ : ইতিহাসের এক প্রদীপ্ত দীবাকর

৪ অক্টোবর , ২০২১
A A
মুনশী মেহেরুল্লাহ : ইতিহাসের এক প্রদীপ্ত দীবাকর
Share on FacebookShare on Twitter

ভুলে যাওয়া নাম

সন্দেহ নেই, মুনশী মেহেরুল্লাহকে আমরা ভুলে গেছি৷ যেখানে গতকালের মুফতি আমিনীকে আমাদের স্মরণে নেই, শাইখুল হাদীস আল্লামা আজীজুল হককে মনে করতে হয় স্মৃতি হাতড়ে বহু শ্রমের বিনিময়ে সেখানে সেই গত শতকের কোন মুনশী সাবকে মনে করতে আমাদের বেগ পোহাতে হবে, শত চেষ্টাতেও মনে পড়বে না তার কোন অকাতর অবদান এ আর বিচিত্র কী? তবু মনে করতে হয় আমাদের৷ এই দুই হাজার বিশে এসে যখন অক্টোপাশের মতো আমাদেরকে জাপ্টে ধরতে চায় খ্রিস্টান মিশনারীরা, চোখ রাঙানি দিয়ে দমিয়ে রাখতে চায় গোলাম আহমাদ কাদিয়ানির প্রেতাত্মারা তখন আমাদের মনে করতে হয় মুন্সি মেহেরুল্লাহকে৷ এবং আমাদেরই প্রয়োজনে, আমাদেরই ইমান বাঁচাবার তাগিদে৷ খ্রিস্টান মিশনারীদের অপতৎপরতা রুখে দেবার প্রয়াসে, কাদিয়ানিদের দৌরাত্ম-দুঃসাহস দমিয়ে দেবার কৌশল খুঁজে পেতে শরণ নিতে হয় আমাদের মুনশী মেহেরুল্লাহর৷ স্মৃতির দর্পণে জমে ওঠা ধুলোবালি সরিয়ে জেগে উঠতে হয় এক ভুলে যাওয়া নাম স্মরণ করে৷ সে নাম— মুনশী মেহেরুল্লাহ৷

আঁধারে আলোর জ্যোতি

যশোর শহর থেকে ১২ মাইল দূরে অবস্থিত ঘোপ নামক একটি গ্রাম৷ সে গ্রামেই মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন মুন্সি মেহেরুল্লাহ৷ খ্রিস্টীয় দিনপঞ্জি হিসাবে সেদিন ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর৷ তাঁর জন্মের ক্ষণটি ছিল এমন— যখন এদেশের মুসলমান সমাজ ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের বিপর্যয়ের পর মহূর্তে নবতর আন্দোলনের পথ খুঁজে ফিরছে৷ সময়ের পথ ধরে এগিয়ে চলছে উপমহাদেশের মসনদ হারানো মুসলিম মিল্লাত৷ ১৭৫৭ খৃস্টাব্দের ২৩ জুন পলাশীর আম বাগিচায় বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজুদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে ইংরেজের আধিপত্য ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলিম জীবনে নেমে আসে ঘোর দুর্দিন৷ ইংরেজের তল্পিবাহক প্রভাবশালী হিন্দুরা মুসলমানদের উপর অত্যাচার অনাচার তথা দমননীতি চালানোর কাজে ইংরেজের সহযোগিতা করে সর্বাত্মকভাবে৷ ১৭৫৭ খৃষ্টাব্দ থেকে ১৮৫৭ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত এই সময়কালের মধ্যে একটি শাহী সমাজকে দারিদ্রের দিকে ঠেলে দিতে সমর্থ হয় ইংরেজরা৷ কিন্তু মুসলমানরা বসে থাকেনি হাত পা গুটিয়ে৷ আন্দোলন, বিপ্লব ও বিদ্রোহের ঝাণ্ডা নিয়ে তারা এগিয়ে চলে সামনের দিকে৷ বহু খুনের বিনিময়ে সংঘটিত হয় ১৮৫৭ খৃস্টাব্দের সিপাহি জনতার মহাবিপ্লব৷ এই বিপ্লবের মাত্র চার বছর পর মুনশী মেহেরুল্লার জন্ম৷ তাঁর জন্ম বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নব দিগন্তের উন্মোচন করে যেন৷

উন্মেষকালের দিনক্ষণ

মুনশী মেহেরুল্লাহর পিতা ছিলেন মুনশী ওয়ারেসউদ্দীন৷ তিনি মনেপ্রাণে ছিলেন একজন দীনদার মানুষ৷ সেই সাথে ছিলেন শিক্ষার প্রতি তুমুল অনুরাগী একজন৷ পাঁচ বছর বয়সেই তিনি পুত্র মেহেরুল্লাহকে ভর্তি করে দিয়ে আসেন গ্রামের পাঠশালায়৷ ছেলেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবেন এটা তার ভীষণ ইচ্ছা ছিল ৷ তিনি নিজেও শিক্ষিত লোক ছিলেন৷ কিন্তু দুই বছর যেতে না যেতেই তার ইন্তেকাল মুনশী মেহেরুল্লাহর সাজানো জীবনকে এলোমেলো করে দিয়ে যায় যেন৷ মুহূর্তে চোখের সমুখে তার আসমান ভেঙে পড়ে৷ উচ্চ শিক্ষা লাভের স্বপ্নটা ঝরে পড়ে অঙ্কুরেই৷ সম্বলহীন বিধবা মা পুত্র মেহেরুল্লাহ ও তিন নাবালিকা কন্যাকে নিয়ে অথৈ সমুদ্রে গিয়ে পড়েন৷ ইচ্ছে থাকলেও পুত্রের পড়ালেখার ব্যয়ভার বহন করা তার জন্য সম্ভবপর হয়ে ওঠে না৷ উল্টো বারো বছরের মুন্সী মেহেরুল্লাহকে পরিবারের হাল ধরবার জন্য উপার্জনে নেমে পড়তে হয়৷ তবু মুন্সি মেহেরুল্লাহ এত বিপত্তি ডিঙিয়ে একান্ত সদিচ্ছার জোরে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে থাকে৷ পারিবারিক আর্থিক অস্বচ্ছ্বলতা থাকা সত্বেও আরবী ফারসী উর্দু ও বাংলা ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জনের জন্য গতায়ত করতে থাকেন এলাকার পণ্ডিত ‘জনে’র নিকট৷ খোদা প্রদত্ত প্রতিভার অধিকারী মুনশী মেহেরুল্লাহ অল্প দিনের মধ্যেই গভীর জ্ঞান নিজের ভেতর ধারণ করে উঠতে সমর্থ হন৷

মুখে মধু অন্তরে বিষ

১৮৫৭ সালের সিপাহী জনতার বিপ্লব বাহ্যত ব্যর্থ হয়।

যার পরিণামে মুসলমানদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ দুর্দিন। শাসন ও বিচারের নামে জুলুমে অত্যাচারে মুসলমান সমাজের জীবন দিন দিন মানবেতর হয়ে পড়ে। মুসলমানদের দুর্দশা যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এদেশে তখন আগমন ঘটে খৃষ্ঠান মিশনারীর৷ খৃষ্টান পাদ্রী ও যাজকেরা পৌঁছে যায় দেশের গ্রামে গঞ্জে, শহরে বন্দরে৷ তাদের মুখের কথা ছিল— মুসলমান সমাজকে এই কঠিন দুর্যোগ থেকে তারা উদ্ধার করতে চায়।

কিন্তু শিক্ষা বিস্তার ও সেবার আড়ালে তাদের মূল লক্ষ ছিল ভিন্ন। এরা গ্রামে গঞ্জে শহরে নগরে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের নামে খৃষ্ঠধর্মের ত্রিত্ববাদ প্রচার করতে থাকে মহা উৎসাহে। কোথাও লোভ আর কোথাও সরকারি বাহিনীর সাহায্যে আতঙ্ক তৈরি করে সাধারণ অসহায় মানুষকে দীক্ষা দিতে থাকে খৃষ্টবাদের। ওদের এসব ধর্মদ্রোহী কাজে বাধা দেয়ার কেউ ছিল না।

তাছাড়া মানুষের তখন যে অর্থনৈতিক দুরবস্থা বিরাজ করছিল সে অবস্থায় অর্থের প্রলোভন উপেক্ষা করা সাধারণ মানুষের জন্য একটু কঠিনই ছিল। যার ফলে বহু মানুষ মিশনারীদের প্রচার-প্রপাগন্ডা এবং লোভ লালসার জালে আটকা পড়ে যায়৷ দলে দলে তারা খৃস্টবাদের দীক্ষা নিতে শুরু করে৷ তার ওপরে ধর্মান্তরের আগুন যখন জ্বলতে শুরু করেছে তাতে ঘি ঢালতে হাজির হয়ে যায় মৌলভী জন জমিরুদ্দীন নামের এক ইংরেজ চর৷

নীলাকাশে মেঘেদের আনাগোনা

তৎকালীন যশোর অঞ্চলে মৌলভী জন জমিরুদ্দীন নামের এই ব্যক্তি সাধারণ মুসলমানের জন্য আতঙ্কের নাম হয়ে ওঠে।

এই লোক প্রথমে মুসলমান ছিল। এবং মৌলভী জমিরুদ্দীন নামেই পরিচিত ছিল সবার কাছে। হঠাৎ করে সে খৃষ্টধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখে— মৌলভী জন জমিরুদ্দীন। খৃষ্টান মিশনারীরা তাকে বিশেষ ট্রেনিং এর জন্য বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। দুই বছর পর বিদেশ থেকে ফিরে এসে যশোর অঞ্চলে সে খৃষ্টবাদের প্রচার-প্রচারণায় নিয়োজিত হয়। ইসলাম থেকে ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে এবং নিজের ‘মৌলভী’ পরিচয়ের অন্তরালে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা তার জন্য সহজ হয়ে যায়। অল্প দিনেই সে বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করে ফেলে।

মৌলভী জন জমিরুদ্দীন আলেম ওলামাদের উদ্দেশ্যে একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়। সে দাবী করে বসে যে, আসল কোরআন কোথাও নেই। তৃতীয় খলীফা হযরত ওসমানের (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন) শাসনামলে আসল কোরআন আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। সে এই ধরনের আপত্তিকর আরও কিছু কথা লিখে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। পুস্তিকাটির নাম রাখে ‘আসল কোরআন কোথায়?’

মৌলভী জমিরুদ্দীনের পুস্তিকাটি মুসলমান বিজ্ঞ সমাজে খুব হৈচৈ ফেলে দেয়। সবাই বুঝতে পারছে যে, খুবই ধৃষ্টতা মূলক কথাবার্তাতে পূর্ণ পুস্তিকাটি কিন্তু কেউ তার উপযুক্ত জবাব দিতে মুখ খুলছিল না। কারও ভাবনাতেই আসছিলো না— তার জবাব দেয়া যায় কী উপায়ে!

আঁধারে আলোর দিশা

মৌলভী জন জমিরুদ্দীনের মোকাবিলা করার জন্য মুনশী মেহেরুল্লাহ তখন মাঠে নামেন। হাতে তুলে নেন শক্তিশালী অস্ত্র কলম। মৌলভী জন জমিরুদ্দীনের পুস্তিকার জবাবে লিখে ফেললেন ‘আসল কোরআন সর্বত্র’ নামে অনবদ্য এক গ্রন্থ। মুনশী সাহেব ছিলেন নিতান্ত গরীব মানুষ। হাটে বাজারে ঘুরে ঘুরে দরজির কাজ করতেন। সামান্য যা আয় হতো তাই দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এমন যার অবস্থা একটা বই প্রকাশের মতো অর্থ তিনি কোথায় পাবেন? সে যুগে বই প্রকাশ করাটা আজকের মতো এত সহজও ছিল না। কিন্তু বই তো প্রকাশ করতেই হবে। এটা যে ইমানের প্রশ্ন! শেষ পর্যন্ত জীবিকা অর্জনের একমাত্র অবলম্বন সেলাই মেশিনখানা দিলেন বিক্রি করে। সেলাই মেশিন বিক্রি করে যা পেলেন সেই টাকা দিয়েই প্রকাশ করলেন ‘আসল কোরআন সর্বত্র’।

মুনশী মেহেরুল্লাহ মৌলভী জন জমিরুদ্দীনের বইয়ের জাবাবে বই লিখেই থেমে থাকলেন না। তিনি মৌলভী জন জমিরুদ্দীনকে আহ্বান করলেন প্রকাশ্য তর্ক যুদ্ধের জন্য।

শত শত মানুষের সামনে অনুষ্ঠিত হয় সে তর্কযুদ্ধ। অনেক শান শওকাতের সাথে মৌলভী জন জমিরুদ্দীন তর্ক শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠে না মুনশী মেহেরুল্লাহর সাথে। ভয় লেশহীন মুনশী সাহেবের সামনে একেবারে কুপোকাৎ হয়ে পড়ে জন জমীরুদ্দীন। তবে তার ভাগ্য ভালো ছিলো বলতে হয়। তর্কে হেরে গিয়ে মৌলভী জমিরুদ্দীন নিজের ভুল বুঝতে পারে। অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে ফিরে আসেন ইসলামধর্মে।

আর হাজারো মুসলমানের হৃদয়ে শ্রদ্ধার জায়গা করে নেন একজন মুনশী মেহেরুল্লাহ।

দীনের জন্য এমন অভাবনীয় সাফল্যে মুনশী মেহেরুল্লাহ দারুণভাবে উজ্জীবিত হন। তিনি খৃষ্ট ধর্মের প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটন করে ‘রদ্দে নাসারা ও দলীলুল ইসলাম’ নামে অনবদ্য একটি গ্রন্থ রচনা করেন৷ মিশনারীদের চলমান অগ্রগতির মাঝে গ্রন্থটি এক লৌহ প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে যায়৷

শত্রুর তূণীরে নতুন তীর

তখনকার যুগে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের আরেক বিষমাখা তীর ছিল মির্জা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী৷ অর্থ এহং ক্ষমতার লোভে পড়ে সে নিজেকে নবি দাবী করে বসে৷ বৃটিশ সরকার চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে বহু মুসলিম যুবককে আকৃষ্ট করতে থাকে কাদিয়ানী ধর্মের দিকে। এই ইমান বিধ্বংসী ফেতনার ঢেউ পাঞ্জাব থেকে এসে সুদূর বাংলাতেও আছড়ে পড়ে৷

মুনশী মেহেরুল্লাহ তখন এই নতুন ফেতনার মোকাবেলায় ‘রদ্দে কাদিয়ানী’ নামে একটি বই লেখেন। যা এ অঞ্চলে মির্জা অনুসারীদের সকল আপত্তি উড়িয়ে দিয়েছিল এক ফুৎকারে৷

বিদায়ী স্বর

মুনশী মেহেরুল্লাহর মতো চরিত্র বাংলার ইতিহাসে বিরল৷ তিনি একাধারে ছিলেন সমাজ সংস্কারক, ইসলাম প্রচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিবেদিত প্রাণ বাগ্মী, লেখক, কবি, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক৷

ইসলামী জাগরণের সংগ্রামী এই সিপাহসালার মুনশী মেহেরুল্লাহ ইন্তেকাল করেন ১৯০৭ সালের ৭ জুন৷ তখন তার বয়স হয়েছিলো ৪৫ বছর ৷ যশোর জেলার নিজ বাসভূমি ছাতিয়ানতলা, বর্তমান মেহেরুল্লাহ নগরীতে ঘুমিয়ে আছেন মুনশী মেহেরুল্লাহ৷

না, সম্পূর্ণ সঠিক হলো না; তিনি ঘুমিয়ে নেই৷ বরং প্রচণ্ড উজ্জ্বলতায় জেগে আছেন, জেগে থাকবেন বাংলার ইতিহাসের এই প্রদীপ্ত সূর্য৷

Login
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
polymarket
polymarket
1 month ago

[6178]Polymarket Official Login | বিকাশ ডিপোজিট ও সেরা স্লট গেম,polymarket অফিশিয়াল লগইন করে সেরা স্লট গেমগুলো উপভোগ করুন। বিকাশ দিয়ে সহজে ডিপোজিট এবং আকর্ষণীয় বোনাস পাওয়ার নিয়ম জানতে আজই অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। visit: polymarket

0
Reply
wdboss
wdboss
12 days ago

[9598]Wdboss: Login Daftar Akun Slot Gacor Deposit Dana 5k,Wdboss menyediakan akses login mudah untuk main baccarat online dan judi casino deposit qris. Segera daftar wdboss apk untuk pengalaman main yang lancar. visit: wdboss

0
Reply
www.ahmadsabbir.com | Developed by Shabaka IT
No Result
View All Result
  • চিন্তালাপ
  • চিত্তশুদ্ধি
  • অতীত কথন
  • ব্যক্তিপুস্তক
  • গল্পপত্র
  • স্মৃতিমেঘ
  • ভাবচিত্র
  • বই কেন্দ্রিক
  • দিন যাপন
  • কবিতা ভবন
  • আমার বই

www.ahmadsabbir.com | Developed by Shabaka IT

wpDiscuz