একজন গৃহত্যাগী কিশোর ঢাকা শহরে এসে বিপাকে পড়ে যায়৷
তার অবয়ব বিবর্ণ ফ্যাকাশে৷ রাতভর নির্ঘুম যাত্রার শেষে ট্রেন স্টেশনে পৌঁছে সে তার বর্তমান গন্তব্য স্থীর করে উঠতে পারে না৷ তার যাবার কথা সাঁয়ত্রিশ শায়েস্তা খান এভিন্যূ৷ কিন্তু সে ঠিকানা মনে করতে পারে না৷ স্টেশনের বাইরে এসে দাঁড়াতেই তার চোখ রোদে পুড়ে জ্বলে ওঠে৷ ক’দিনের জমে যাওয়া ঘুম তাতে উবে যায় বটে তবে যে দুলুনি তাকে তাড়া করে ফিরছে সেই ট্রেনে চড়বার মুহূর্তটি থেকে তা কমে না কিছু; বরং মাদকতা এসে জাপ্টে ধরে চারপাশ থেকে৷ রোদ কি নেশা করে?
*
স্টেশনের বাইরে পা ফেলে কিশোর৷ পাখির চোখে সব দেখতে থাকে৷ ভাবে— এটাই তবে রাজধানী; বাংলাদেশের ব্যস্ততম শহর! কালচে মুখো রিক্সা ওয়ালাদের হাঁকডাক, হলদে রঙা ট্যক্সিড্রাইভারের প্রস্তাব, সবুজ সি এনজি চালকের সহজ প্রলোভন সব ছুঁটে আসতে থাকে কিশোরের উদ্দেশে৷ নিজেকে কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে থাকে কিশোরের৷ তবে সে কারও আহ্বানে সাড়া দিতে পারে না৷ ঠিকানাহীনতা কিম্বা আশ্রয়হীনতা তাকে গুরুত্বপূর্ণ হতে হতেও শেষ পর্যন্ত হতে দেয় না৷ সে পাংশু মুখে চেয়ে থাকে কেবল শূন্যে আর রিক্সা ওয়ালা, ট্যাক্সির ড্রাইভার, সি এনজির চালক সবার সামনেই উদোম হয়ে পড়ে কিশোরের পরিচয়হীনতা৷ তাকে ছেঁড়ে তারা ছুটে যায় অন্যত্র৷ কোন নাম গোত্র পরিচয় ওয়ালার উদ্দেশ্যে৷ আর কিশোর স্টেশনের বাইরের উন্মুক্ত খোলা চত্বরে দাঁড়িয়েই থাকে; মনের মধ্যে এনে হাজির করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে একটা ঠিকানা; একটা আশ্রয়৷ কিন্তু কিশোরের কাছে তখনও অজানা— এ শহরে অজস্র মানুশ ভুগছে আশ্রয়শূন্যতায়৷
*
সেদিনের সেই কিশোর, যে স্টেশনের বাইরে পা ফেলে ঠিকানা বিস্মৃত হয়, যে বিস্ফারিত চোখে খালি পায়ে হেঁটে যাওয়া তারই মতন একদল কিশোরের দেখা পেয়ে যায়, যে আলুথালু চুলের মায়াবতী এক মা’কে দেখে ওঠে জ্যামে ডোবা রাস্তার পাশে কোমল শিশুর ঠোঁটে স্তন তুলে দিতে, যে এই ঝকমকা শহরের কালো ছোপ ছোপ রঙের মাঝে দলবদ্ধ প্রত্যেককে ভীষণ একলা একা দেখতে পায় সে আজও, এই সাত বছর পরও, সেই আশ্রয়হীন শহরে ঠিকানা খুঁজে ফেরে৷ সে মনে করতে ভুলে যায়— তার যাবার কথা ছিল সাঁয়ত্রিশ শায়েস্তা খান এভিন্যূ৷ যেখানে তার একটি স্বপ্ন ছিল৷
তার অবয়ব বিবর্ণ ফ্যাকাশে৷ রাতভর নির্ঘুম যাত্রার শেষে ট্রেন স্টেশনে পৌঁছে সে তার বর্তমান গন্তব্য স্থীর করে উঠতে পারে না৷ তার যাবার কথা সাঁয়ত্রিশ শায়েস্তা খান এভিন্যূ৷ কিন্তু সে ঠিকানা মনে করতে পারে না৷ স্টেশনের বাইরে এসে দাঁড়াতেই তার চোখ রোদে পুড়ে জ্বলে ওঠে৷ ক’দিনের জমে যাওয়া ঘুম তাতে উবে যায় বটে তবে যে দুলুনি তাকে তাড়া করে ফিরছে সেই ট্রেনে চড়বার মুহূর্তটি থেকে তা কমে না কিছু; বরং মাদকতা এসে জাপ্টে ধরে চারপাশ থেকে৷ রোদ কি নেশা করে?
*
স্টেশনের বাইরে পা ফেলে কিশোর৷ পাখির চোখে সব দেখতে থাকে৷ ভাবে— এটাই তবে রাজধানী; বাংলাদেশের ব্যস্ততম শহর! কালচে মুখো রিক্সা ওয়ালাদের হাঁকডাক, হলদে রঙা ট্যক্সিড্রাইভারের প্রস্তাব, সবুজ সি এনজি চালকের সহজ প্রলোভন সব ছুঁটে আসতে থাকে কিশোরের উদ্দেশে৷ নিজেকে কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে থাকে কিশোরের৷ তবে সে কারও আহ্বানে সাড়া দিতে পারে না৷ ঠিকানাহীনতা কিম্বা আশ্রয়হীনতা তাকে গুরুত্বপূর্ণ হতে হতেও শেষ পর্যন্ত হতে দেয় না৷ সে পাংশু মুখে চেয়ে থাকে কেবল শূন্যে আর রিক্সা ওয়ালা, ট্যাক্সির ড্রাইভার, সি এনজির চালক সবার সামনেই উদোম হয়ে পড়ে কিশোরের পরিচয়হীনতা৷ তাকে ছেঁড়ে তারা ছুটে যায় অন্যত্র৷ কোন নাম গোত্র পরিচয় ওয়ালার উদ্দেশ্যে৷ আর কিশোর স্টেশনের বাইরের উন্মুক্ত খোলা চত্বরে দাঁড়িয়েই থাকে; মনের মধ্যে এনে হাজির করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে একটা ঠিকানা; একটা আশ্রয়৷ কিন্তু কিশোরের কাছে তখনও অজানা— এ শহরে অজস্র মানুশ ভুগছে আশ্রয়শূন্যতায়৷
*
সেদিনের সেই কিশোর, যে স্টেশনের বাইরে পা ফেলে ঠিকানা বিস্মৃত হয়, যে বিস্ফারিত চোখে খালি পায়ে হেঁটে যাওয়া তারই মতন একদল কিশোরের দেখা পেয়ে যায়, যে আলুথালু চুলের মায়াবতী এক মা’কে দেখে ওঠে জ্যামে ডোবা রাস্তার পাশে কোমল শিশুর ঠোঁটে স্তন তুলে দিতে, যে এই ঝকমকা শহরের কালো ছোপ ছোপ রঙের মাঝে দলবদ্ধ প্রত্যেককে ভীষণ একলা একা দেখতে পায় সে আজও, এই সাত বছর পরও, সেই আশ্রয়হীন শহরে ঠিকানা খুঁজে ফেরে৷ সে মনে করতে ভুলে যায়— তার যাবার কথা ছিল সাঁয়ত্রিশ শায়েস্তা খান এভিন্যূ৷ যেখানে তার একটি স্বপ্ন ছিল৷
কিশোর আজও এই শহরের বুকে একখানা আশ্রয় খুঁজে পেতে চায়৷

[5741]jackpotcity Official Login | সেরা অনলাইন স্লটস ও দ্রুত বিকাশ পেমেন্ট,jackpotcity-তে লগইন করে সেরা লাইভ ক্যাসিনো গেমের নিয়ম জানুন এবং অ্যাপটি ডাউনলোড করে দ্রুত বিকাশ পেমেন্টের সুবিধা নিন। আজই যুক্ত হন। visit: jackpotcity